পৃথিবীতে প্রতিদিন অনেক ঘটনা ঘটে থাকে। তার মধ্যে এমন কিছু ঘটনা আছে যেগুলো সাধারণ এবং এমন কিছু ঘটনা আছে যেগুলো এখনো অমীমাংসিত অবস্থায় রয়ে গেছে যেগুলোকে আমরা সকলেই ভুতুড়ে , অপ্রাকৃতিক ও ম্যাজিক বলে থাকে। এরকমে অনেক অমীমাংসিত ঘটনা আছে যেগুলো আমাদের কাছে অজানা। এরকম অজানা,অমীমাংসিত,বাস্তব ঘটনা জানতে হলে নিচের আর্টিকেলটি ভালোভাবে পড়ুন।
এরকমই ভারতে একটি অমীমাংসিত কেশ হল :
হায়দ্রাবাদে শিহরণ জাগরণকারী কেশটির কথা শুনলে সকলের লোম দাঁড়িয়ে যাবে। 2002 সালে হায়দ্রাবাদের কুন্দনবাদ বাংলোতে একটি পরিবার বসবাস করত । এই পরিবারে একটি স্ত্রী, স্বামী ও তাদের দুই কন্যা সন্তান ছিল। হঠাৎই দুই কন্যার বাবা সেখান থেকে পালিয়ে যায় এবং কোনদিনই সেই সন্তান গুলোর বাবা ফিরে আসেনি । এরপর একদিন একটি চোর ওই বাংলোতে চুরি করতে আসে। চোরটি বাংলোতে চুরি করতে ঢুকে তিনটি দেহ দেখতে পায় যেটি বাংলোর মেঝেতে পড়েছিল। মৃতদেহগুলি দেখার পর পুলিশের কাছে যায় পুলিশ চোরটির কথা শুনে বুঝতে পারে যে সেই এই মৃতদেহ গুলির কারণ। কিন্তু ফরেন্সি রিপোর্টে পুলিশ জানতে পারে এই মৃতদেহগুলি মৃত্যু ছমাস আগে। এবং পুলিশ পাশাপাশি প্রতিবেশীদের এই মৃত্যুর সম্বন্ধে জানতে চাইলে তারা জানায় যে মৃত্যুর আগের দিন পর্যন্ত তারা সেই বাচ্চাগুলোকে খেলতে দেখেছে। এবং বাচ্চাগুলোর মা কে ব্যালকনিতে ঘোরাঘুরি করতেও দেখেছে। এই কথা শোনার পর পুলিশ হতবাক হয়ে যায় যদি ছয় মাস আগেই তাদের মৃত্যু হয় তাহলে কিভাবে তারা ব্যালকনিতে ও বাচ্চাগুলো মাঠে খেলাধুলা করতে প্রতিবেশীরা দেখেছি। এ ঘটনার পর পুলিশ সিদ্ধান্ত নেয় বাড়িটি তল্লাশি করা হবে। তল্লাশি করার পর পুলিশ বাংলোর একটি রুম থেকে কালো জাদুর সংক্রান্ত অনেক জিনিস উদ্ধার করে। তা থেকে পুলিশ পুরোপুরি বুঝতে পারে যে এখানে প্রতিনিয়ত কালো জাদুর আরাধনা করা হতো। এবং পুলিশ এও জানতে পারে যে দুই সন্তানের মা তাদের দুই মেয়ের সঙ্গে কালো জাদু লিপত হতো। এই ঘটনা সন্তানগুলির বাবা জানতে পারে এবং সেখান থেকে পালিয়ে যায়। এই ঘটনা জানার পর পুলিশ পুরো বাংলো সিল করে দেয় এবং বাংলোর ইলেকট্রিসিটি বন্ধ করে দেয়। এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষি থেকেই ভয়ংকর পরিস্থিতি শুরু হয় সেই বাংলাতে। পুলিশ ইলেক্ট্রিসিটি বন্ধ করা সত্ত্বেও সে বাড়িতে মাঝেমধ্যে আলো জ্বলতো। এবং রাতে বেলায় মেয়ে দুটোর মাকে মোমবাতি নিয়ে ব্যালকনিতে হাঁটতে দেখা যায় ও মাঝেমধ্যে বাচ্চাগুলোর খেলাধুলার আওয়াজ শোনা যায় তাদের হাতে থাকে রক্তের ব্যাগ। এরপর থেকে সকল স্থানীয়রা সেখানে যেতে ভয় করে এবং যারা চলে যায় তারা অনেক ভয়ের সম্মুখীন হয় । এখনো পর্যন্ত সেই বাংলোটি হায়দ্রাবাদে অবস্থিত কিন্তু প্রতিবেশীরা সেই বাংলোর দিকে যাওয়া তো দূরের কথা তাকাতে ভয় করে। এই বাংলোর ঘটনা এখনো পর্যন্ত অমীমাংসিত অবস্থায় রয়ে গেছে।
উপরে দেওয়া অমীমাংসিত ঘটনা নিয়ে কোন প্রশ্ন থাকলে অবশ্যই নিচে কমেন্ট বক্সে লিখে জানাও। এরকম আরো অজানা তথ্য জানতে চ্যানেলটিকে ফলো করি সঙ্গে থেকো।

Comments
Post a Comment